ভাঙ্গা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস

ভাঙ্গার আপামর জনসাধারনের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় কলেজটি ১৯৯৭ সালের ১লা জুলাই থেকে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কলেজটির বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ভবিষ্যতে কলেজটি অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি চালু করার জনগণের পক্ষ থেকে ব্যাপক দাবি রয়েছে যার প্রেক্ষিতে কলেজ কমিটি কলেজটিকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি চালু করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এখানে লেখা পড়ার পাশাপাশি প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীকে সৎ, পরিক্রমা ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানো হয়। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি ও উৎকর্ষ সাধনের জন্য বিষয় ভিত্তিক বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দক্ষ ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থাসহ অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিবিড় তথ্যাবধায়ন ও সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনার সুপরিকল্পিত শিক্ষাক্রম, আন্তরিক ও পরিশ্রমী শিক্ষক মন্ডলীর উন্নত মানের শিক্ষা, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবসহ উন্নত ও যুগোপযোগী শিক্ষা উপকরণ দ্বারা শিক্ষাদান। ছাত্র/ছাত্রীদের সার্বিক উন্নতিকল্পে অভিভাবকের ঘনিষ্ট সংশ্লিষ্টতা, সহ অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের প্রশংসনীয় সাফল্য অত্র এলাকাকে করেছে এক শিক্ষার আলোকনগরী।

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশের গৌরব

বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বাঙালি। তবে বাঙালি ছাড়াও এ দেশে আরও নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষ আছে। এদের মধ্যে রয়েছে চাকমা, গারো, সাঁওতাল, ত্রিপুরা, মুরং, তংচঙ্গা ইত্যাদি।

সুন্দর হাতের লেখা

হাতের লেখা সুন্দর হওয়াটা খুবই জরুরী। আধুনিক যুগে লেখালেখি অনেক অফিসেই হয়না। সবাই কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্যাদি আদান প্রদান করেন।

গল্পের ছলে পড়া

যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা আড্ডার সময় বন্ধুদের সঙ্গে গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে। সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পারবে।